আমাদের বন্ধুদের মধ্যে আমাদের ফ্ল্যাটটি ছিল সবচেয়ে বড়, তাই প্রায়ই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বন্ধুরা আড্ডা দেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় চলে আসতো।
এদের মধ্যে ছিল ফরহাদ, মঞ্জু, সোহরাব আর নুরু ভাই। সেই নুরু ভাই, যিনি আমদেরকে ফ্রাঙ্কফুর্টে আসার পর প্রথম রাতে আশ্রয় দিয়েছিলেন এবং যত্ন করে খাইয়েছিলেন। নারিন্দার নুরু ভাই ছিলেন আমদের স্কুলের বন্ধু সালামের বড় ভাই, তাই আমরা তাকে নুরু ভাই বলে ডাকতাম।
নুরু ভাই এলে আমরা একটু বেশিই খুশি হতাম, কারণ তিনি ছিলেন ভালো রাঁধুনি। বিয়ারের সাথে সাথে আড্ডাগুলো ছিল বেশ প্রাণবন্ত। এর মধ্যে একদিন আমি লন্ডন থেকে একশ’ পাউন্ডের একটা মানি অর্ডার পেলাম। এই অর্থেরও ব্যবস্থা করেছিলেন আমার চতুর্থ বোন, আর এই পাঠিয়েছিলেন বোনের বান্ধবীর স্বামী। এই পাউন্ডের সমপরিমাণ মার্ক পেয়েছিলাম দুইশ’ মার্কের উপরে।
এই মার্ক পেয়ে মনে হয়েছিল যে আমি যেন আরেকটু শক্তি পেলাম। দেশের স্বল্প আয়ের কৃষকরা যেমন ঘরে ধান তুলে হিসেব করেন, আমি সে রকম হিসেবই করতাম । এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কয় মাস টিকে থাকা যাবে তা ঠিক করতাম।
দেশ থেকে যখন আমরা উড়াল দিয়েছিলাম, তখন আমদের সবার কাছেই ছিল রিটার্ন টিকেট। এখন যখন দেখলাম, আমার আর আপাতত ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই, আর এই টিকিটের মেয়াদ তিন মাসের, তাই ওটাকে আরেক ছোটবেলার বন্ধু হেলালের কাছে পাঠিয়ে দিলাম।
পরে শুনেছি, হেলাল ওই টিকেট ফেরত দিয়ে ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা উঠিয়ে আমার বাসায় গিয়ে দিয়ে এসেছিল। তার মানে, আমরা টিকেট কিনেছিলাম ১০ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে আর ফেরত পেলাম ২ হাজার ২০০ টাকা। তাই আমাদের জার্মানিতে আসার খরচ হয়েছিল ৮ হাজার টাকা ।
এদের মধ্যে ছিল ফরহাদ, মঞ্জু, সোহরাব আর নুরু ভাই। সেই নুরু ভাই, যিনি আমদেরকে ফ্রাঙ্কফুর্টে আসার পর প্রথম রাতে আশ্রয় দিয়েছিলেন এবং যত্ন করে খাইয়েছিলেন। নারিন্দার নুরু ভাই ছিলেন আমদের স্কুলের বন্ধু সালামের বড় ভাই, তাই আমরা তাকে নুরু ভাই বলে ডাকতাম।
নুরু ভাই এলে আমরা একটু বেশিই খুশি হতাম, কারণ তিনি ছিলেন ভালো রাঁধুনি। বিয়ারের সাথে সাথে আড্ডাগুলো ছিল বেশ প্রাণবন্ত। এর মধ্যে একদিন আমি লন্ডন থেকে একশ’ পাউন্ডের একটা মানি অর্ডার পেলাম। এই অর্থেরও ব্যবস্থা করেছিলেন আমার চতুর্থ বোন, আর এই পাঠিয়েছিলেন বোনের বান্ধবীর স্বামী। এই পাউন্ডের সমপরিমাণ মার্ক পেয়েছিলাম দুইশ’ মার্কের উপরে।
এই মার্ক পেয়ে মনে হয়েছিল যে আমি যেন আরেকটু শক্তি পেলাম। দেশের স্বল্প আয়ের কৃষকরা যেমন ঘরে ধান তুলে হিসেব করেন, আমি সে রকম হিসেবই করতাম । এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কয় মাস টিকে থাকা যাবে তা ঠিক করতাম।
দেশ থেকে যখন আমরা উড়াল দিয়েছিলাম, তখন আমদের সবার কাছেই ছিল রিটার্ন টিকেট। এখন যখন দেখলাম, আমার আর আপাতত ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই, আর এই টিকিটের মেয়াদ তিন মাসের, তাই ওটাকে আরেক ছোটবেলার বন্ধু হেলালের কাছে পাঠিয়ে দিলাম।
পরে শুনেছি, হেলাল ওই টিকেট ফেরত দিয়ে ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা উঠিয়ে আমার বাসায় গিয়ে দিয়ে এসেছিল। তার মানে, আমরা টিকেট কিনেছিলাম ১০ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে আর ফেরত পেলাম ২ হাজার ২০০ টাকা। তাই আমাদের জার্মানিতে আসার খরচ হয়েছিল ৮ হাজার টাকা ।

Post a Comment