September 2017

রাখাইনের রাজধানী সিতভিতে মঙ্গলবার এক বৈঠকে সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আইয়ে বলেন, “আমাদের দেশের আইনানুযায়ী পুড়ে যাওয়া ভূমি সরকারের দখলে চলে যায়। সরকার সেইসব ভূমির পুনঃউন্নয়ন করবে।”
দেশটির সরকারি দৈনিক ‘নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।দেশটিতে প্রচলিত একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের বরাত দিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, “ভূমি পুনঃউন্নয়ন কাজ খুবই কার্যকর হবে।”ওই আইন অনুযায়ী, যে কোনো ধরনের দুর্যোগ এমনকি সংঘর্ষের কারণে কোনো এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার সেই এলাকার পুনঃউন্নয়ন কাজ তদারকি করবে।তবে মিয়ানমার সরকারের পুনঃউন্নয়ন পরিকল্পনা আসলে কী, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি।সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে দেশত্যাগ করা রোহিঙ্গা মুসলিমরা যদি দেশে ফিরে যায় তবে তাদের নিজ নিজ গ্রামে প্রবেশ এবং সম্পত্তির দখল নিতে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানাননি তিনি।রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে ওই মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হতে হয়েছে।গত ২৪ অগাস্ট রাতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) রাখাইনে ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালালে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার পর থেকে রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে প্রায় চারশ’টি রোহিঙ্গা গ্রামের অর্ধেকের বেশি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রাণ বাঁচাতে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, যাদের ‍অনেকের শরীরে গুলি বা পোড়া ক্ষত রয়েছে।পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। তারা জানায়, সেখানে তাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের বাড়িঘর।স্যাটেলাইট ইমেজেও রোহিঙ্গা গ্রামগুলো জ্বলতে দেখা গেছে।সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে যে সহিংস নির্যাতন ও নিপীড়ন চালাচ্ছে তাকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে মনে করে জাতিসংঘ।যদিও মিয়ানমার সরকারের দাবি, এআরএসএ জঙ্গিরা রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদের উপর আক্রমণ করছে এবং তাদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। যে কারণে রাখাইনে অর্ধের বেশি রোহিঙ্গা গ্রাম খালি হয়ে গেছে।২৫ অগাস্ট সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সহিংসতায় প্রায় পাঁচশ মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার; যাদের মধ্যে প্রায় চারশ’ জনই এআরএসএ জঙ্গি বলে দাবি তাদের।হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এ সপ্তাহে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন দেশটির সরকার।

রাজধানীর সায়েদাবাদে আর কে চৌধুরী কলেজে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে।
বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, মার্কেটিং, ব্যবস্থাপনা ও সমাজকর্ম।
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তির আবেদন করা যাবে।
ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ের জন্য ৭৫৪৪৮১৬ এবং ০১৭১১-১৮১১৮২ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানে নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৯শে আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুন্নয়ন রাজস্ব বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থউপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে বিতরণের লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
নতুন এ নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দকৃত অর্থের ৭৫ শতাংশ সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, ১০ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ১৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যয় করা হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য যে ৭৫ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ তার মধ্যে ষষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৫ শতাংশ, ৯ম থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং স্নাতক ও তদুর্ধ্ব পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ হারে প্রদান করা হবে।
একক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫ শতাংশ বরাদ্দের মধ্যে নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ শতাংশ, মাধ্যমিক ও সমমানের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬০ শতাংশ এবং বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও তদুর্ধ্ব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ শতাংশ বণ্টন করা হবে।
এছাড়া আবেদন গৃহীত হলে কোন একক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫০ হাজার, একজন শিক্ষক এককভাবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা করে পাবেন।

ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে হিসেবটা আলাদা। মাধ্যমিকের একজন শিক্ষার্থী ৫ হাজার, উচ্চ মাধ্যমিকের ৬ হাজার এবং স্নাতক বা সমমান বা এর চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা পাবে।
যারা আবেদন করতে পারবে- স্বীকৃতপ্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র তৈরি, খেলাধুলার সরঞ্জাম, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী বান্ধব করাসহ পাঠাগারের উন্নয়ন কাজের জন্য মঞ্জুরীর আবেদন করতে পারবে। তবে অনগ্রসর এলাকার অস্বচ্ছল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথচ প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়ার মান ভাল এরকম প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তাদের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে যারা দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার শিকার তারা আবেদন করতে পারবে। তবে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্থ, গরিব, মেধাবী, অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্র্থীদের অগ্রাধিকার থাকবে।

MKRdezign

{facebook#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {twitter#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget